বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Crime File
শিরোনাম :
রাজধানীতে ভয়াবহ আকারে বাড়ছে অজ্ঞাত লাশ! মোহাম্মদপুরের বসিলা রোডে পার্কিং করা মিডলাইন বাসে আগুন! পুলিশে পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা সরকারের আসিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করবে দুদক লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমাধান হলে আমরাই আগে করতাম: তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের প্রাণিকুলের প্রতি মমত্ববোধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট রেঞ্জে নতুন ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু, পারাপারে নিষেধাজ্ঞা! রাজধানীর বাজারে সবজিতে স্বস্তি, মসলা কিনতে নাভিশ্বাস! চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে মারা যাওয়া ৫ শিশুকে শেষ বিদায়! গাজীপুরের টঙ্গীতে কোটি টাকার হেরোইন ও ইয়াবাসহ ‘কুত্তা মিজান’ আটক আজ দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১১ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস কক্সবাজারে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় রিসোর্ট দখল, ছাত্রদল নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা! প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরামর্শে জাতীয় সংসদের দেয়ালে কালেমা তাইয়্যেবা! পদত্যাগ করেছেন পিএসসি চেয়ারম্যান মোবাশ্বের মোনেম রাজধানীতে ভয়াবহ আকারে বাড়ছে অজ্ঞাত লাশ! মোহাম্মদপুরের বসিলা রোডে পার্কিং করা মিডলাইন বাসে আগুন! পুলিশে পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা সরকারের আসিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করবে দুদক লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমাধান হলে আমরাই আগে করতাম: তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের প্রাণিকুলের প্রতি মমত্ববোধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট রেঞ্জে নতুন ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু, পারাপারে নিষেধাজ্ঞা! রাজধানীর বাজারে সবজিতে স্বস্তি, মসলা কিনতে নাভিশ্বাস! চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে মারা যাওয়া ৫ শিশুকে শেষ বিদায়! গাজীপুরের টঙ্গীতে কোটি টাকার হেরোইন ও ইয়াবাসহ ‘কুত্তা মিজান’ আটক আজ দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১১ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস কক্সবাজারে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় রিসোর্ট দখল, ছাত্রদল নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা! প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরামর্শে জাতীয় সংসদের দেয়ালে কালেমা তাইয়্যেবা! পদত্যাগ করেছেন পিএসসি চেয়ারম্যান মোবাশ্বের মোনেম
বিশেষ সংবাদ

রাজধানীতে ভয়াবহ আকারে বাড়ছে অজ্ঞাত লাশ!

City
News
ডেস্ক নিউজ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৬ AM

রাজধানীতে প্রতিদিন হাজারো মানুষের ভিড়। অথচ এই শহরেই এমন মানুষ মারা যাচ্ছেন, যাদের মৃত্যুর পরও জানা যাচ্ছে না নাম-পরিচয়। সড়কের পাশে, ফুটপাত, হাসপাতালের গেট, খাল কিংবা নির্জন স্থান থেকে উদ্ধার হচ্ছে অজ্ঞাত মরদেহ। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠাচ্ছে। ছবি তুলে ও পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালিয়েও স্বজনের সন্ধান না মিললে শেষ পর্যন্ত সেই লাশ হয়ে যাচ্ছে বেওয়ারিশ।

ডিএমপির প্রকাশ্য নথি ও বিভিন্ন থানার তথ্য বলছে, চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর একাধিক এলাকায় এমন মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এর পূর্ণাঙ্গ আট মাসের সমন্বিত সংখ্যা প্রকাশ না হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুধু মে ও আগস্টেই শাহবাগ থানার অধীনে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এলাকা থেকে দুটি অজ্ঞাত নারী মরদেহের পরিচয় শনাক্তে পুলিশের পক্ষ থেকে জনসাধারণের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। মে মাসে উদ্ধার হওয়া নারীর বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর। আর ১২ আগস্ট উদ্ধার হওয়া কিশোরীর বয়স আনুমানিক ১৫ বছর।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকা হওয়ায় শাহবাগে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা বেশি দৃশ্যমান। হাসপাতালে অসুস্থ বা ভবঘুরে মানুষের মৃত্যু, স্বজনের রেখে যাওয়া মরদেহ কিংবা দুর্ঘটনায় পরিচয়হীন ব্যক্তির লাশ—বিভিন্ন কারণে পুলিশকে এসব মরদেহের পরিচয় শনাক্তে কাজ করতে হয়। ১২ আগস্টের ঘটনাটিই এর একটি নির্মম উদাহরণ। পরিবারের লোকজন ১৫ বছর বয়সি কিশোরীকে মৃত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসে। তাকে চিকিত্সকের কাছে নেওয়ার সময় পরিবারের লোকজন সরে যায়। পরে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পুলিশ পরিচয় শনাক্তে সহায়তা চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দেয়।

অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধারের পর প্রথমে পুলিশ সুরতহাল করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। পরিচয় শনাক্তের জন্য ছবি, পোশাক, শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। প্রয়োজন হলে ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু দিনের পর দিন স্বজনের সন্ধান না মিললে মর্গে মরদেহ পড়ে থাকে। এরপর আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে বেওয়ারিশ মরদেহ দাফনের দায়িত্ব নেয় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম। সংস্থাটি কাফন, জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করে। রাজধানীতে বেওয়ারিশ মরদেহ দাফনের ক্ষেত্রে জুরাইন কবরস্থান গুরুত্বপূর্ণ শেষ ঠিকানা।

অর্থাৎ একজন অজ্ঞাত মানুষের শেষ যাত্রার শুরু হয় পুলিশের উদ্ধার দিয়ে, শেষ হয় এমন একটি কবরে—যেখানে হয়তো কোনোদিনই তার নাম লেখা হয় না।

সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, দাফনের পর কোনো পরিবার যদি নিখোঁজ স্বজনের সন্ধান পায়, তখন পরিচয় শনাক্ত করা আরো কঠিন হয়ে যায়। অতীতে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা মরদেহের পরিচয় পরে শনাক্ত করার ঘটনা ঘটেছে। এমনকি রায়েরবাজারে দাফন করা মরদেহের ক্ষেত্রে কবর শনাক্তকরণ নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে।