নাটোরে বান্ধবীর টানে চীনা যুবক, ‘স্ত্রী’ পরিচয়ে তরুণী আসতেই উধাও যুবক!
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক। দৈনিক ক্রাইম জনতা /
নাটোরের বড়াইগ্রামে ভবানীপুর ভাটোপাড়া এলাকায় বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে আসা সেই চীনা যুবক পালিয়েছেন। মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে ওই গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে স্কুলছাত্রী সাদিয়া খাতুনের সাথে বন্ধুত্ব হয় চীনা যুবক সুবেজ'র।
শনিবার ওই চীনা যুবক উপজেলার ভবানীপুর ভাটোপাড়া গ্রামে বান্ধবীর বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
স্কুল শিক্ষার্থী সাদিয়া খাতুন জানায়, কয়েক মাস আগে একটি অ্যাপসের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। তারপর গড়ে উঠে বন্ধুত্ব। সে বলে, আমার সঙ্গে দেখা করতে বাংলাদেশে আসতে চায়। এরপর পাসপোর্ট ও ভিসা তৈরি করে ছবি পাঠায়। প্রথমে আমি বিশ্বাস করিনি সে বাংলাদেশে আসবে। এরপর বিষয়টি বাবা-মাকে জানানে তারা সম্মতি দেন।
সাদিয়া জানায়, গত বৃহস্পতিবার ঢাকা বিমান বন্দর থেকে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে শুক্রবার সকালে তাকে দেখতে ভিড় করেন গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ। খবর পেয়ে বাড়িতে ছুটে আসেন গণমাধ্যম কর্মীরাও। তবে গণমাধ্যম কর্মীদের দেখে ক্ষুদ্ধ হন তিনি। তাদের চলে যেতে বলেন তিনি। এ ঘটনার পর আমার একটু সন্দেহ হয়।
সাংবাদিকদের গোপনে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তার ছবিসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশ হয় সংবাদও। এ খবর দেখে শনিবার রাতে ঢাকা থেকে আমাদের বাড়িতে আসেন সামিরা নামে এক তরুণী। ওই তরুণী দাবি করেন, তিনি তার স্ত্রী।
কথিত স্ত্রী সামিরা জানান, চীনা যুবক তার স্বামী। কয়েক মাস আগে ঢাকায় তাদের বিয়ে হয়েছে। কিছুদিন পর সে আবার তার দেশে ফিরে যান। তাকে বাংলাদেশে আসতে বললে সে জানায়, তার হাতে টাকা নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পারেন, সে আবার দেশে এসেছে। পরে ঠিকানা জোগার করে এখানে এসেছি।
জোয়াড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর জানান, কয়েক দিন আগে ভাটোপাড়া এলাকায় চীন থেকে একজন নাগরিক বেড়াতে এসেছেন। ভাটোপাড়া সাদ্দাম হোসেনের মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব সম্পর্ক রয়েছে। পরে জানতে পারি, ওই বাড়িতে চীনা যুবকের স্ত্রী উপস্থিত হন। ঘটনা বেগতিক দেখে চীনা যুবক পালিয়ে যায়।
নওগাঁর ধামইরহাটে বাঁশঝাড় থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার!