সরকারের অগ্রধিকার খাল খনন প্রকল্প সুকৌশলে অকার্যকর করতে যাচ্ছেন ২০১৮ সালের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক বর্তমানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল করতে বর্তমানের গতিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন নতুন প্রজন্মের অহংকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। ১৭ ই ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করার পর মাত্র ২৭ দিনের মাথায় সারাদেশে খাল খনন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন। অথচ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর হতে এই খাল খনন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ বিভাজন করতে সময় লেগেছে ২৩ দিন! যা নাকি দুই এক ঘন্টার কাজ। সরকারের এই প্রকল্প সুকৌশলে ব্যর্থ করতে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা না দিয়ে সারা বাংলাদেশ হতে প্রকল্পের প্রাক্কলন গ্রহণ করা হয়। মজার বিষয় হল প্রাক্কলন অনুযায়ী বরাদ্দ প্রদান না করে গড় হিসাবে আনুমানিক বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। সচেতন মহলের উদ্বেগ যদি গড় বরাদ দেওয়া হবে তাহলে কেন সময নষ্ট করা হলো? সময় নষ্ট করার মূল উদ্দেশ্য হলো বর্ষাকাল চলে আসলে খাল খনন প্রকল্প ভেস্তে যাবে, যার ফলে সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়বে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে কোন খালের প্রস্থ ২০ ফুট আবার কোন খালের প্রন্থ ৭০ হাতে ৮০ ফুট | এছাড়া কোন খাল খনন করতে হবে ৫ফুট আবার কোন খাল খনন করতে হবে ১৫ ফুট। এই বস্তবতাকে বিবেচনা না করে মহাপরিচালক সরকারের এই মহৎ উদ্দেশ্যকে ব্যর্থ করতে মন্ত্রী মহাদয়কে ভুল বুঝিয়ে এই ধরনের গড় বরাদ প্রদান কারছেন ৷ বরাদপত্র অনুযাযী কাজ করা হলে বাস্তবে কতটা কার্যকরী হবে তা নিযে সাচতন মহাল প্রশ্ন উঠছে ৷ আনেকের মতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ১৫০০ কিঃমিঃ খাল খনন করার কথা থাকলেও বাস্তবে ৫০০ হতে ৬০০ কিলোমিটার খাল খনন করবে আওমিলীগের দোষর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ৷ অনুসন্ধানে আরো জানা যায় ৪০০ কোটি টাকার খাল খনন করা হালও বাস্তবে সিংহভাগ টাকার কোন সুফল আসবে না বলে সচেতন মহল উদ্দেগ প্রকাশ করছে ৷ শ্রমিক বাচায়ের জন্য ৩১/০৩/২০২৬ ইং তারিখে মন্ত্রমালয় হাত পত্র জারি করা হয় কিন্তু অধ্যবধি দোষর মহাপরিচালক উক্ত পত্রটি ফিল্ড পার্যায পাঠায়নি ৷ আওমী দোষর মহাপরিচালকের এই ধরনের কার্যকলাপে প্রতিয়মান হয় সরকারের অগ্রধিকার এই প্রকল্পটি কার্যক্রম ধীর গতি করা যেন আসন্ন বর্ষায় খালে পানি ঢুকে পরে আর এই অজুহাতে খাল খনন কর্মসুচী ব্যহত করার পরিকল্পনায় মগ্ন মহাপরিচালক মোঃ রেজয়ানুর রহমান |
প্রসংগতঃ একমাত্র অধিদপ্তর যেখানে ৫ই আগষ্টের পর পুরো ফ্যাসিষ্ট পরিবার এখানে রয়ে গেছে বরং বিএনপন্থী অফিসারদের এখান থেকে বাহিরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।স্বং মহা পরিচালকের কাছে এক জুলাই যোদ্ধা জুলাই হত্যকান্ডের আসামীকে অনিয়ম করে কাজ দিচ্ছে এমন অভিযোগ নিয়ে গেলে অভিযোগ কারীকে বলেন জুলাই হত্যা আসামী বা আওয়ামীলিগকে পুনর্বাসন করা যাবেনা এমন কথা ইটেরিম সরকার তাকে বলে নাই।
স্বং আওয়ামী মন্ত্রী মায়া চৌধুরীর বসানো ইঞ্জিনিয়ার যাদেরকে পিআইও অফিস থেকে ধরে এনে বিশেষ ধান্দায় হেডঅফিসে পিসি নেওয়ার জন্য বসিয়ে দেন মোঃতরিকুল ইসলাম,মোঃবেলাল হোসেন,কমল সরকারসহ প্রায় ৬জনকে ।এদের মধ্য দ্বিতীয় শ্রেনীর পিআইওকে সহকারী প্রকৌশলীর পদ দেয়া হয় নিয়ম ভেংগে।এবং একজন অফিসার ৩ বছরের বেশি সময় ধরে থাকার নিয়ম না থাকলেও তাদের সবাই ৬ বছর থেকে ৯ বছর পর্যন্ত আছে এই একই জায়গায়।পিএস সির মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের নিজস্ব ইঞ্জিনিয়ারকে এই একই কাজ করানো গেলেও তাকে সবকিছুর বাহিরে রেখে ভাড়াটিয়া পিআইওদের দিয়ে বিলিং এস্টিমেটিং এর কাজ করানো হচ্ছে শুধুমাত্র দুর্নীতি করানোর জন্য।এদের প্রত্যকের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে দুর্নীতির ।আওয়ামী তোষন অফিসার জায়কা প্রজেক্টের পিডি মুজিবুর রহমান,ডিডি ইসমাইল হোসেন এদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে।বন্য আশ্রয়ন প্রজেক্টের ডিপিডি কামরুল আহসান ৫ ই আগষ্টের পর সবগুলি টেন্ডার আওয়ামী ঠিকাদারদের দেন টাকার বিনিময়ে এপ্রুভ এস্টিমেট বিক্রি করে খোজ নিলে সব তথ্য বেরিয়ে আসবে।সব অনিয়মের মুলে আছে আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট মহাপরিচালক রেজায়নুর রহমান ।
অধিদপ্তরের আওয়ামী বলয়ের কথা মন্ত্রীমহোদয়ের নলেজে দিলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনরকম ব্যবস্থা নেয়া হয়নি এখন পর্যন্ত।
নওগাঁর ধামইরহাটে বাঁশঝাড় থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার!